২৭ মে ২০১১

রাতের বাঁকে বাঁকে সাপগুলো ছটফট করে খুব, যেন ঈদ ওদের
আমারও কেমন জোনাকি স্বভাব, রাত হলে–
গলির অন্ধকারে খলবল করে দিই ছুট, খেলি লুকোচুরি; তুমি–
ভয় পেয়ে ভীষণ, আগন্তুক হরিণের মতো করো টগবগ, খোঁজো–
খুঁজে অস্থির তবু পাও না দেখা; ফলে,
তোমার চোখের ভেতর থেকে মায়া ও ভয়ের পারদ–
তোমার কপাল থেকে আতঙ্ক ও স্বপ্নের ঘাম–
গলে পড়ে নিচে,
ভিজে যায় বুকের গিরিপথ :
আর তাতে বর্ষার নতুন পানি পেলে বাচ্চা ব্যাঙ যেমন তিড়িংবিড়িং দেয় লাফ–
আমিও তেমনি লাফে নাক গুঁজি সেই গিরি-বাগানে, নিই ঘ্রাণ…

এমনি করে উড়ে যেতে যেতে সময় কেমন দাঁড়ালো থমকে হঠাৎ
আমিও গেলাম থেমে; দেখলাম– তোমার মুখ মুহূর্তে হয়ে উঠলো কেমন জাদুর আয়না; তাতে–
জানা হলো আবার : দেখতে হয়েছি আমি। ঠিক তোমার মতো; আমার–
নাক-চোখ-হাসি ও শরীরের রঙ,
এমনকি ঘুমকাতরতাও ঠিক তোমারই ফটোকপি যেন…
–এই কথা কেউ বললেই শৈশবে, হয়ে যেতাম আমি লাজুক চড়ুই, দিতাম ঝাঁপ– বুকে তোমার; তুমিও জড়িয়ে ধরে রাখতে ঢেকে আঁচলে আমায়;

মা,
তোমার এ কী বাচ্চাপনা আজ?
কেমনতরো এ শোধবোধ খেলা?
দিলে ঝাঁপ তুমি বুকে আমার–
আর,
আমি কি-না রাখলাম নামিয়ে তোমায়– কবরের খাঁচায়!


Leave a Reply